সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার (সিএনসি) পদক-২০২৬ পেয়েছেন সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা। মঙ্গলবার রাত ৯টায় ভার্চুয়ারি অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান স্মরণসভা ও পদক প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।
পদক প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা বলেন, অধ্যাপক মতিউর রহমান ছিলেন সাহিত্য অঙ্গনের মহিরূহতুল্য ব্যক্তিত্ব। তার পা-িত্য ও সৃষ্টিশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি একজন মহান ব্যক্তির নামে তাকে পদক প্রদান করায় সিএনসিকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
সিএনসির নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হকের পরিচালনায় ও সচিব ইসমাইল হোসেনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিএনসির সভাপতি, বিশিষ্ট শিশু সংগঠক ও লেখক অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের আলোচনা রাখেন বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম। প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, অধ্যাপক মতিউর রহমান ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল সাহিত্যের শিকড় অনুসন্ধান। সে লক্ষ্যে তিনি ফররুখ গবেষণা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়াও তিনি বেশ কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। সিএনসি তার স্মৃতি রক্ষার্থে ও নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে কাজ করে যাবে-ইনশাআল্লাহ। তিনি তার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে সাহিত্যপ্রেমীদের উদ্যোগ গ্রহণ এবং এ মহতি কাজে তার পরিবারের সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
সৈয়দ মাসুদ মোস্তফা একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, গাল্পিক, নিবন্ধকার, গীতিকার, নাট্যকার ও রম্য-লেখক। মূলত, কথাসাহিত্য সহ সাহিত্যের প্রায় সকল শাখায় তার সরব পদচারণা রয়েছে। তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মেঘে মেঘে বেলা’। যদিও তার প্রথম উপন্যাস ‘তুলসী গঙ্গার তীরে’। প্রথম কবিতা ‘ভোরের পাখি’ এবং প্রথম ছোটগল্প ‘কুহক’। ‘আয়না বুড়ির বিয়ে’ তার উল্লেখযোগ্য রম্য-রচনা। ‘অবলীলায়’ নামক নাটক লেখকের এক অনন্য সাধারণ সাহিত্যকর্ম। তিনি সঙ্গীত রচনায়ও বেশ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তার লেখা ‘রবের হুকুম করতে পালন ছাড়ো ছাড়ো ঘুম’ বেশ দর্শক প্রিয়তা পেয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।