বিসিএ’র সভাপতি সাহিত্য-সংষ্কৃতি সংগঠক আবেদুর রহমান এবং কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও গবেষক হারুন ইবনে শাহাদাতকে গজল ইনস্টিটিউট -জেজিআই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
গত ১৪ জুলাই রাজধানীর মিরপুর নাফিঈন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমীতে উৎসব মুখর পরিবেশে গজল ইনস্টিটিউট -জিজেআই পক্ষ থেকে তাদের হাতে সম্মাননা স্মারক এবং ক্রেস্ট তুলে দেন মিরপুর সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি ইয়াকুব বিশ্বাস। এসময় তার সাথে ছিলেন এডভোকেট সুলতান মাহমুদ বান্না,বিসিএ’র কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান মাহমুদ, সঙ্গীতজ্ঞ ইমদাদুল হক,জোনের নাট্য সম্পাদক আব্দুল আহাদ শোয়েব। উৎসবে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সাইফুদ্দিন,শিল্পী হাসিবুজ্জামান,শিল্পী নাজমুল ইসলাম।
ইয়াকুব বিশ্বাস তার বক্তব্যে বলেন, সুস্থধারার সাহিত্য ও সংষ্কৃতির বিকাশে আবেদুর রহমানের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গজল ইনস্টিটিউট -জেজিআই তাকে সম্মানিত করতে পেরে গর্বিত।
তিনি হারুন ইবনে শাহাদাতের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে বলেন, কথাসাহিত্য, অনুসন্ধানী ও বিশ্লেষণধর্মী সাংবাদিকতা এবং গবেষণামূলক লেখার মাধ্যমে জাতিকে আলোর পথের বার্তা দেয়ার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে আমাদের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করছি।
আবেদুর রহমান ও হারুন ইবনে শাহাদাত তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আজ থেকে তাদের দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো। তারা যেন দেশ জাতির কল্যাণে আজীবন কাজ করতে পারেন, উপস্থিত সবার কাছে এজন্য দোয়া কামনা করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিসিএর সভাপতি আবেদুর রহমান বলেছেন, সঙ্গীত সাহিত্য সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী অনুষঙ্গ। নব্য জাহিলিয়াতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের এ মাধ্যমে জাহিলিয়াতের অনুসারীদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে হবে। এজন্য অধ্যবসায় ও সাধনার বিকল্প নেই। আল হামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ইমদাদুল হকের মতো একজন আন্তরিক প্রশিক্ষককে আপনারা আপনাদের শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন। আমি আশা করি এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে আপনারা জাহিলিয়াতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার যোগ্য সৈনিকে পরিণত হবেন।
প্রধান আলোচক হারুন ইবনে শাহাদাত বলেন, সৃজনশীল মানুষরাই মানবসভ্যতা নির্মাণের কারিগর। সুস্থধারার সাহিত্য ,সংষ্কৃতি এবং সৃজনশীল শিল্পের বিকাশ ছাড়া সমাজ বিপ্লব সম্ভব নয়। বিপ্লবের সুফল পেতে হলেও সাহিত্য-সংষ্কৃতি চর্চার বিকল্প নেই।